-1779592713015-48579927.jpg&w=1920&q=75)
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য আরও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম, তারা চলতি বছর থেকে কোনো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না।
শনিবার (২৩ মে) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর মূলধনভিত্তি আরও শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব ব্যাংক সব ধরনের সংবিধিবদ্ধ বা আইনি শর্ত পূরণ করে মুনাফা বিতরণের যোগ্যতা অর্জন করবে, তারা তাদের মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে পরিশোধ করতে পারবে। এই নতুন নিয়মাবলী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতেও তা একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ আরোপ করা হলেও পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সমস্ত বিদ্যমান নির্দেশনা—যার মধ্যে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার নম্বর ১-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তা পুরোপুরি বহাল ও কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো নগদ টাকা ধরে রেখে তাদের অভ্যন্তরীণ মূলধন বাড়াতে বাধ্য হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
-1779592713015-48579927.jpg&w=1920&q=75)
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য আরও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম, তারা চলতি বছর থেকে কোনো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না।
শনিবার (২৩ মে) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর মূলধনভিত্তি আরও শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব ব্যাংক সব ধরনের সংবিধিবদ্ধ বা আইনি শর্ত পূরণ করে মুনাফা বিতরণের যোগ্যতা অর্জন করবে, তারা তাদের মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে পরিশোধ করতে পারবে। এই নতুন নিয়মাবলী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতেও তা একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ আরোপ করা হলেও পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সমস্ত বিদ্যমান নির্দেশনা—যার মধ্যে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার নম্বর ১-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তা পুরোপুরি বহাল ও কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো নগদ টাকা ধরে রেখে তাদের অভ্যন্তরীণ মূলধন বাড়াতে বাধ্য হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
-1779592713015-48579927.jpg&w=1920&q=75)
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য আরও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম, তারা চলতি বছর থেকে কোনো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না।
শনিবার (২৩ মে) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর মূলধনভিত্তি আরও শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব ব্যাংক সব ধরনের সংবিধিবদ্ধ বা আইনি শর্ত পূরণ করে মুনাফা বিতরণের যোগ্যতা অর্জন করবে, তারা তাদের মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে পরিশোধ করতে পারবে। এই নতুন নিয়মাবলী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতেও তা একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ আরোপ করা হলেও পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সমস্ত বিদ্যমান নির্দেশনা—যার মধ্যে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার নম্বর ১-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তা পুরোপুরি বহাল ও কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো নগদ টাকা ধরে রেখে তাদের অভ্যন্তরীণ মূলধন বাড়াতে বাধ্য হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
-1779592713015-48579927.jpg&w=1920&q=75)
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য আরও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম, তারা চলতি বছর থেকে কোনো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না।
শনিবার (২৩ মে) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর মূলধনভিত্তি আরও শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব ব্যাংক সব ধরনের সংবিধিবদ্ধ বা আইনি শর্ত পূরণ করে মুনাফা বিতরণের যোগ্যতা অর্জন করবে, তারা তাদের মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে পরিশোধ করতে পারবে। এই নতুন নিয়মাবলী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতেও তা একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ আরোপ করা হলেও পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সমস্ত বিদ্যমান নির্দেশনা—যার মধ্যে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার নম্বর ১-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তা পুরোপুরি বহাল ও কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো নগদ টাকা ধরে রেখে তাদের অভ্যন্তরীণ মূলধন বাড়াতে বাধ্য হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!