
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঠিক যেদিন এ রায় ঘোষণা হলো, সেদিনই ছিল তার ৫৮তম বিয়েবার্ষিকী—আর এ দিনেই এলো জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক अपराध ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালে শেখ মুজিবের কারাগারে থাকা অবস্থায় মা ফজিলাতুন নেছার তত্ত্বাবধানে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় শেখ হাসিনার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, এ দম্পতির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা তড়িঘড়ি করেই করেছিলেন ফজিলাতুন নেছা।
শেখ হাসিনা ও এম এ ওয়াজেদ মিয়া দম্পতির সংসারে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নামে দুই সন্তান রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের জন্ম ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর।
সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত পাঁচবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথম দফায় ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় দফায় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত, তৃতীয় দফায় ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, চতুর্থ দফায় ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং পঞ্চম দফায় ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও একই বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তোপের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।
২০২৪ সালে সংঘটিত ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন গণঅভ্যত্থানে রূপ নেয়। ওই বছরের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের হামলা ও গুলি এবং সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ দলটির অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও জনতার তোপের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালান শেখ হাসিনা।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই গণহত্যার মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পাশাপাশি এই মামলার অন্য আসামি হলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।
রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেয়ায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ, নিরস্ত্র দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ৩০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই পাঁচ অভিযোগ হলো- উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঠিক যেদিন এ রায় ঘোষণা হলো, সেদিনই ছিল তার ৫৮তম বিয়েবার্ষিকী—আর এ দিনেই এলো জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক अपराध ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালে শেখ মুজিবের কারাগারে থাকা অবস্থায় মা ফজিলাতুন নেছার তত্ত্বাবধানে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় শেখ হাসিনার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, এ দম্পতির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা তড়িঘড়ি করেই করেছিলেন ফজিলাতুন নেছা।
শেখ হাসিনা ও এম এ ওয়াজেদ মিয়া দম্পতির সংসারে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নামে দুই সন্তান রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের জন্ম ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর।
সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত পাঁচবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথম দফায় ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় দফায় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত, তৃতীয় দফায় ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, চতুর্থ দফায় ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং পঞ্চম দফায় ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও একই বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তোপের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।
২০২৪ সালে সংঘটিত ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন গণঅভ্যত্থানে রূপ নেয়। ওই বছরের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের হামলা ও গুলি এবং সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ দলটির অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও জনতার তোপের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালান শেখ হাসিনা।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই গণহত্যার মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পাশাপাশি এই মামলার অন্য আসামি হলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।
রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেয়ায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ, নিরস্ত্র দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ৩০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই পাঁচ অভিযোগ হলো- উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঠিক যেদিন এ রায় ঘোষণা হলো, সেদিনই ছিল তার ৫৮তম বিয়েবার্ষিকী—আর এ দিনেই এলো জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক अपराध ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালে শেখ মুজিবের কারাগারে থাকা অবস্থায় মা ফজিলাতুন নেছার তত্ত্বাবধানে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় শেখ হাসিনার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, এ দম্পতির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা তড়িঘড়ি করেই করেছিলেন ফজিলাতুন নেছা।
শেখ হাসিনা ও এম এ ওয়াজেদ মিয়া দম্পতির সংসারে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নামে দুই সন্তান রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের জন্ম ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর।
সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত পাঁচবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথম দফায় ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় দফায় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত, তৃতীয় দফায় ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, চতুর্থ দফায় ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং পঞ্চম দফায় ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও একই বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তোপের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।
২০২৪ সালে সংঘটিত ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন গণঅভ্যত্থানে রূপ নেয়। ওই বছরের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের হামলা ও গুলি এবং সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ দলটির অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও জনতার তোপের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালান শেখ হাসিনা।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই গণহত্যার মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পাশাপাশি এই মামলার অন্য আসামি হলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।
রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেয়ায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ, নিরস্ত্র দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ৩০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই পাঁচ অভিযোগ হলো- উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ঠিক যেদিন এ রায় ঘোষণা হলো, সেদিনই ছিল তার ৫৮তম বিয়েবার্ষিকী—আর এ দিনেই এলো জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক अपराध ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালে শেখ মুজিবের কারাগারে থাকা অবস্থায় মা ফজিলাতুন নেছার তত্ত্বাবধানে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় শেখ হাসিনার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, এ দম্পতির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা তড়িঘড়ি করেই করেছিলেন ফজিলাতুন নেছা।
শেখ হাসিনা ও এম এ ওয়াজেদ মিয়া দম্পতির সংসারে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নামে দুই সন্তান রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের জন্ম ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর।
সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত পাঁচবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথম দফায় ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় দফায় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত, তৃতীয় দফায় ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, চতুর্থ দফায় ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং পঞ্চম দফায় ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও একই বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তোপের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।
২০২৪ সালে সংঘটিত ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন গণঅভ্যত্থানে রূপ নেয়। ওই বছরের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের হামলা ও গুলি এবং সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ দলটির অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও জনতার তোপের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালান শেখ হাসিনা।
সোমবার দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই গণহত্যার মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পাশাপাশি এই মামলার অন্য আসামি হলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।
রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেয়ায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ, নিরস্ত্র দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ৩০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই পাঁচ অভিযোগ হলো- উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!