
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ডা. এম এ মুহিতকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. এম এ মুহিত সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার বাবা চক্ষু বিশেষজ্ঞ মরহুম অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং জিয়াউর রহমান সরকারের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বাবার আসন থেকেই প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন ডা. এম এ মুহিত।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক হিসেবে পরিচিত ডা. মুহিত লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এন্ড ট্রপিকাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয়। সিএসএফ গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি জিএলএম-সিপিআর নেটওয়ার্কের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও যুক্ত রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’-এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজারো মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ডা. এম এ মুহিতকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. এম এ মুহিত সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার বাবা চক্ষু বিশেষজ্ঞ মরহুম অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং জিয়াউর রহমান সরকারের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বাবার আসন থেকেই প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন ডা. এম এ মুহিত।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক হিসেবে পরিচিত ডা. মুহিত লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এন্ড ট্রপিকাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয়। সিএসএফ গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি জিএলএম-সিপিআর নেটওয়ার্কের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও যুক্ত রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’-এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজারো মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ডা. এম এ মুহিতকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. এম এ মুহিত সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার বাবা চক্ষু বিশেষজ্ঞ মরহুম অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং জিয়াউর রহমান সরকারের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বাবার আসন থেকেই প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন ডা. এম এ মুহিত।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক হিসেবে পরিচিত ডা. মুহিত লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এন্ড ট্রপিকাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয়। সিএসএফ গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি জিএলএম-সিপিআর নেটওয়ার্কের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও যুক্ত রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’-এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজারো মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ডা. এম এ মুহিতকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. এম এ মুহিত সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার বাবা চক্ষু বিশেষজ্ঞ মরহুম অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং জিয়াউর রহমান সরকারের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বাবার আসন থেকেই প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন ডা. এম এ মুহিত।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক হিসেবে পরিচিত ডা. মুহিত লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এন্ড ট্রপিকাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয়। সিএসএফ গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি জিএলএম-সিপিআর নেটওয়ার্কের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও যুক্ত রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’-এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজারো মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!