
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপিতে দূতাবাসগুলোকে বিদ্যমান আইনের আওতায় ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য আর্থিক বা সামাজিক বোঝা হতে পারেন-এমন আবেদনকারীদের প্রবেশ ঠেকানো এবং জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার রোধ করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর ভিসা প্রক্রিয়া ততদিন স্থগিত থাকবে, যতদিন না সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভিসা যাচাই ও প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনা পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়।
স্থগিতাদেশের আওতাভুক্ত দেশগুলোর তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটান ছাড়াও রয়েছে রাশিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের উদারতার অপব্যবহার রোধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তবে পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের নীতি অনুসরণ করে আসছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী লাখো আবেদনকারী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এই সিদ্ধান্তকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপিতে দূতাবাসগুলোকে বিদ্যমান আইনের আওতায় ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য আর্থিক বা সামাজিক বোঝা হতে পারেন-এমন আবেদনকারীদের প্রবেশ ঠেকানো এবং জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার রোধ করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর ভিসা প্রক্রিয়া ততদিন স্থগিত থাকবে, যতদিন না সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভিসা যাচাই ও প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনা পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়।
স্থগিতাদেশের আওতাভুক্ত দেশগুলোর তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটান ছাড়াও রয়েছে রাশিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের উদারতার অপব্যবহার রোধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তবে পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের নীতি অনুসরণ করে আসছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী লাখো আবেদনকারী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এই সিদ্ধান্তকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপিতে দূতাবাসগুলোকে বিদ্যমান আইনের আওতায় ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য আর্থিক বা সামাজিক বোঝা হতে পারেন-এমন আবেদনকারীদের প্রবেশ ঠেকানো এবং জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার রোধ করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর ভিসা প্রক্রিয়া ততদিন স্থগিত থাকবে, যতদিন না সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভিসা যাচাই ও প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনা পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়।
স্থগিতাদেশের আওতাভুক্ত দেশগুলোর তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটান ছাড়াও রয়েছে রাশিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের উদারতার অপব্যবহার রোধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তবে পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের নীতি অনুসরণ করে আসছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী লাখো আবেদনকারী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এই সিদ্ধান্তকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপিতে দূতাবাসগুলোকে বিদ্যমান আইনের আওতায় ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য আর্থিক বা সামাজিক বোঝা হতে পারেন-এমন আবেদনকারীদের প্রবেশ ঠেকানো এবং জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার রোধ করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর ভিসা প্রক্রিয়া ততদিন স্থগিত থাকবে, যতদিন না সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভিসা যাচাই ও প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনা পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়।
স্থগিতাদেশের আওতাভুক্ত দেশগুলোর তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটান ছাড়াও রয়েছে রাশিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের উদারতার অপব্যবহার রোধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তবে পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের নীতি অনুসরণ করে আসছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী লাখো আবেদনকারী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এই সিদ্ধান্তকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!