দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে বঙ্গভবনে তাকে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানায় এবং মূল ভবন পর্যন্ত এসকর্ট করে নিয়ে যায়।
গাড়ি থেকে নামার পর বঙ্গভবনের সামরিক সচিব, প্রধান কার্যালয়ের সচিব, প্রেস সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এরপর বঙ্গভবনের ‘ক্রিডেনশিয়াল গ্রাউন্ডে’ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে প্রথাগত গ্র্যান্ড গার্ড অব অনার প্রদান করে।
পরে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বঙ্গভবনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমও শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সে লক্ষ্যেই বঙ্গভবনের কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রথম কর্মদিবসে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক নথিপত্রেও স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ২টার মধ্যে তার বঙ্গভবন ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে বঙ্গভবনে তাকে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানায় এবং মূল ভবন পর্যন্ত এসকর্ট করে নিয়ে যায়।
গাড়ি থেকে নামার পর বঙ্গভবনের সামরিক সচিব, প্রধান কার্যালয়ের সচিব, প্রেস সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এরপর বঙ্গভবনের ‘ক্রিডেনশিয়াল গ্রাউন্ডে’ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে প্রথাগত গ্র্যান্ড গার্ড অব অনার প্রদান করে।
পরে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বঙ্গভবনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমও শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সে লক্ষ্যেই বঙ্গভবনের কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রথম কর্মদিবসে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক নথিপত্রেও স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ২টার মধ্যে তার বঙ্গভবন ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে বঙ্গভবনে তাকে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানায় এবং মূল ভবন পর্যন্ত এসকর্ট করে নিয়ে যায়।
গাড়ি থেকে নামার পর বঙ্গভবনের সামরিক সচিব, প্রধান কার্যালয়ের সচিব, প্রেস সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এরপর বঙ্গভবনের ‘ক্রিডেনশিয়াল গ্রাউন্ডে’ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে প্রথাগত গ্র্যান্ড গার্ড অব অনার প্রদান করে।
পরে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বঙ্গভবনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমও শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সে লক্ষ্যেই বঙ্গভবনের কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রথম কর্মদিবসে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক নথিপত্রেও স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ২টার মধ্যে তার বঙ্গভবন ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে বঙ্গভবনে তাকে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানায় এবং মূল ভবন পর্যন্ত এসকর্ট করে নিয়ে যায়।
গাড়ি থেকে নামার পর বঙ্গভবনের সামরিক সচিব, প্রধান কার্যালয়ের সচিব, প্রেস সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
এরপর বঙ্গভবনের ‘ক্রিডেনশিয়াল গ্রাউন্ডে’ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে প্রথাগত গ্র্যান্ড গার্ড অব অনার প্রদান করে।
পরে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বঙ্গভবনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমও শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সে লক্ষ্যেই বঙ্গভবনের কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রথম কর্মদিবসে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক নথিপত্রেও স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ২টার মধ্যে তার বঙ্গভবন ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!