নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর শুরু করেছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ০.৯০ শতাংশ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও (আরএমজি) এ সময়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
উপখাতভিত্তিক হিসাবে, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে জুলাই মাসে ১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় এবং প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক—উভয় ক্ষেত্রেই নতুন অর্থবছরের শুরুতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে।
নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর শুরু করেছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ০.৯০ শতাংশ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও (আরএমজি) এ সময়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
উপখাতভিত্তিক হিসাবে, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে জুলাই মাসে ১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় এবং প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক—উভয় ক্ষেত্রেই নতুন অর্থবছরের শুরুতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে।
নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর শুরু করেছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ০.৯০ শতাংশ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও (আরএমজি) এ সময়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
উপখাতভিত্তিক হিসাবে, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে জুলাই মাসে ১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় এবং প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক—উভয় ক্ষেত্রেই নতুন অর্থবছরের শুরুতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে।
নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর শুরু করেছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ০.৯০ শতাংশ।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও (আরএমজি) এ সময়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
উপখাতভিত্তিক হিসাবে, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে জুলাই মাসে ১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় এবং প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক—উভয় ক্ষেত্রেই নতুন অর্থবছরের শুরুতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!