রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা ও ‘মব’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন গত ৫ আগস্টের পর থেকেই বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজ নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের অজ্ঞাতসারে ডিম ও চাল সরবরাহ করতেন এবং বাজারদরের তুলনায় প্রতি কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেশি দাম নিতেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
‘এছাড়া এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ৩০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।’
অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বলেন, এই ছেলে খারাপ, কাউকে মানে না। মবের পর পুলিশও ভয় পাচ্ছে দেখলাম। আমরা ভয় পাই, পুলিশও ভয় পেলে কীভাবে চলবে?’
সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি রোগী ও স্টাফদের জন্য প্রতিদিন তিন বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখানে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও চাঁদাবাজমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা ও ‘মব’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন গত ৫ আগস্টের পর থেকেই বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজ নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের অজ্ঞাতসারে ডিম ও চাল সরবরাহ করতেন এবং বাজারদরের তুলনায় প্রতি কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেশি দাম নিতেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
‘এছাড়া এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ৩০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।’
অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বলেন, এই ছেলে খারাপ, কাউকে মানে না। মবের পর পুলিশও ভয় পাচ্ছে দেখলাম। আমরা ভয় পাই, পুলিশও ভয় পেলে কীভাবে চলবে?’
সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি রোগী ও স্টাফদের জন্য প্রতিদিন তিন বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখানে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও চাঁদাবাজমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা ও ‘মব’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন গত ৫ আগস্টের পর থেকেই বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজ নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের অজ্ঞাতসারে ডিম ও চাল সরবরাহ করতেন এবং বাজারদরের তুলনায় প্রতি কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেশি দাম নিতেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
‘এছাড়া এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ৩০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।’
অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বলেন, এই ছেলে খারাপ, কাউকে মানে না। মবের পর পুলিশও ভয় পাচ্ছে দেখলাম। আমরা ভয় পাই, পুলিশও ভয় পেলে কীভাবে চলবে?’
সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি রোগী ও স্টাফদের জন্য প্রতিদিন তিন বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখানে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও চাঁদাবাজমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা ও ‘মব’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন গত ৫ আগস্টের পর থেকেই বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজ নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের অজ্ঞাতসারে ডিম ও চাল সরবরাহ করতেন এবং বাজারদরের তুলনায় প্রতি কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেশি দাম নিতেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
‘এছাড়া এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ৩০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।’
অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বলেন, এই ছেলে খারাপ, কাউকে মানে না। মবের পর পুলিশও ভয় পাচ্ছে দেখলাম। আমরা ভয় পাই, পুলিশও ভয় পেলে কীভাবে চলবে?’
সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি রোগী ও স্টাফদের জন্য প্রতিদিন তিন বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখানে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও চাঁদাবাজমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!