
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জনরায় অমান্য করা হলে বিএনপিকেও ‘ফ্যাসিবাদের পরিণতি’ বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর উত্তর গেটে নির্বাচনোত্তর হামলা, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল পল্টন থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় অনিয়ম হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে তা তদন্ত করতে হবে। অনিয়মের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সহিংসতা চালানো ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যদি জনরায় অমান্য করা হয়, তাহলে তাদেরও ফ্যাসিবাদের পরিণতি বরণ করতে হবে।’ পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের হত্যাকাণ্ড ও শহীদ ওসমান হাদীর বিচার দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বিতর্কিত নির্বাচনের পর এ প্রতিবাদ সমাবেশ। আমরা আশা করেছিলাম জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশা করা হয়েছে। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ভোটের পর টার্গেটকৃত প্রার্থীদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে ডিপস্টেট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচনের পর সারাদেশে পৈশাচিকতা হয়েছে। নারীদের ধর্ষণ, নিপীড়ন, বাড়িঘর জ্বালানোর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু জনগণ ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করবে। যারা ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি করবে, তারাই সে পথে দিল্লিতে পালাবে।’
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ওরা শুধু ভোট চুরি করেনি, বরং ডাকাতি করেছে। পার্লামেন্টে যে ভোট ডাকাতরা গেছে, তাদের ১১ দল রাজপথে জবাব বুঝে নেবে।’
তিনি বলেন, ‘ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে গেছি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাব দ্রুত বিচার করার। আমাদের এতদিন বলা হয়েছে নির্বাচন ও বিচার মুখোমুখি না করার। আমরা মরিয়া প্রমাণ করেছি আমরা নির্বাচনবিরোধী নই। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই, সংস্কারে জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে ‘
এদিকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করে ভোটে কারসাজি করা হয়েছে।
এবি পার্টি-র চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, টিআইবি রিপোর্টে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চিত্র উঠে এসেছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সুরাহা করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জনরায় অমান্য করা হলে বিএনপিকেও ‘ফ্যাসিবাদের পরিণতি’ বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর উত্তর গেটে নির্বাচনোত্তর হামলা, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল পল্টন থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় অনিয়ম হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে তা তদন্ত করতে হবে। অনিয়মের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সহিংসতা চালানো ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যদি জনরায় অমান্য করা হয়, তাহলে তাদেরও ফ্যাসিবাদের পরিণতি বরণ করতে হবে।’ পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের হত্যাকাণ্ড ও শহীদ ওসমান হাদীর বিচার দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বিতর্কিত নির্বাচনের পর এ প্রতিবাদ সমাবেশ। আমরা আশা করেছিলাম জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশা করা হয়েছে। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ভোটের পর টার্গেটকৃত প্রার্থীদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে ডিপস্টেট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচনের পর সারাদেশে পৈশাচিকতা হয়েছে। নারীদের ধর্ষণ, নিপীড়ন, বাড়িঘর জ্বালানোর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু জনগণ ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করবে। যারা ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি করবে, তারাই সে পথে দিল্লিতে পালাবে।’
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ওরা শুধু ভোট চুরি করেনি, বরং ডাকাতি করেছে। পার্লামেন্টে যে ভোট ডাকাতরা গেছে, তাদের ১১ দল রাজপথে জবাব বুঝে নেবে।’
তিনি বলেন, ‘ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে গেছি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাব দ্রুত বিচার করার। আমাদের এতদিন বলা হয়েছে নির্বাচন ও বিচার মুখোমুখি না করার। আমরা মরিয়া প্রমাণ করেছি আমরা নির্বাচনবিরোধী নই। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই, সংস্কারে জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে ‘
এদিকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করে ভোটে কারসাজি করা হয়েছে।
এবি পার্টি-র চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, টিআইবি রিপোর্টে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চিত্র উঠে এসেছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সুরাহা করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জনরায় অমান্য করা হলে বিএনপিকেও ‘ফ্যাসিবাদের পরিণতি’ বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর উত্তর গেটে নির্বাচনোত্তর হামলা, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল পল্টন থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় অনিয়ম হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে তা তদন্ত করতে হবে। অনিয়মের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সহিংসতা চালানো ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যদি জনরায় অমান্য করা হয়, তাহলে তাদেরও ফ্যাসিবাদের পরিণতি বরণ করতে হবে।’ পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের হত্যাকাণ্ড ও শহীদ ওসমান হাদীর বিচার দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বিতর্কিত নির্বাচনের পর এ প্রতিবাদ সমাবেশ। আমরা আশা করেছিলাম জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশা করা হয়েছে। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ভোটের পর টার্গেটকৃত প্রার্থীদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে ডিপস্টেট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচনের পর সারাদেশে পৈশাচিকতা হয়েছে। নারীদের ধর্ষণ, নিপীড়ন, বাড়িঘর জ্বালানোর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু জনগণ ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করবে। যারা ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি করবে, তারাই সে পথে দিল্লিতে পালাবে।’
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ওরা শুধু ভোট চুরি করেনি, বরং ডাকাতি করেছে। পার্লামেন্টে যে ভোট ডাকাতরা গেছে, তাদের ১১ দল রাজপথে জবাব বুঝে নেবে।’
তিনি বলেন, ‘ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে গেছি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাব দ্রুত বিচার করার। আমাদের এতদিন বলা হয়েছে নির্বাচন ও বিচার মুখোমুখি না করার। আমরা মরিয়া প্রমাণ করেছি আমরা নির্বাচনবিরোধী নই। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই, সংস্কারে জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে ‘
এদিকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করে ভোটে কারসাজি করা হয়েছে।
এবি পার্টি-র চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, টিআইবি রিপোর্টে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চিত্র উঠে এসেছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সুরাহা করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে জনরায় অমান্য করা হলে বিএনপিকেও ‘ফ্যাসিবাদের পরিণতি’ বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর উত্তর গেটে নির্বাচনোত্তর হামলা, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল পল্টন থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় অনিয়ম হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে তা তদন্ত করতে হবে। অনিয়মের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সহিংসতা চালানো ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যদি জনরায় অমান্য করা হয়, তাহলে তাদেরও ফ্যাসিবাদের পরিণতি বরণ করতে হবে।’ পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের হত্যাকাণ্ড ও শহীদ ওসমান হাদীর বিচার দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বিতর্কিত নির্বাচনের পর এ প্রতিবাদ সমাবেশ। আমরা আশা করেছিলাম জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশা করা হয়েছে। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ভোটের পর টার্গেটকৃত প্রার্থীদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে ডিপস্টেট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচনের পর সারাদেশে পৈশাচিকতা হয়েছে। নারীদের ধর্ষণ, নিপীড়ন, বাড়িঘর জ্বালানোর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু জনগণ ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করবে। যারা ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি করবে, তারাই সে পথে দিল্লিতে পালাবে।’
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ওরা শুধু ভোট চুরি করেনি, বরং ডাকাতি করেছে। পার্লামেন্টে যে ভোট ডাকাতরা গেছে, তাদের ১১ দল রাজপথে জবাব বুঝে নেবে।’
তিনি বলেন, ‘ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে গেছি। সরকার ও প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাব দ্রুত বিচার করার। আমাদের এতদিন বলা হয়েছে নির্বাচন ও বিচার মুখোমুখি না করার। আমরা মরিয়া প্রমাণ করেছি আমরা নির্বাচনবিরোধী নই। আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র চাই, সংস্কারে জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে ‘
এদিকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করে ভোটে কারসাজি করা হয়েছে।
এবি পার্টি-র চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, টিআইবি রিপোর্টে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চিত্র উঠে এসেছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সুরাহা করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!