
ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় শান্তি বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে দুই দিনব্যাপী এ আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পক্ষগুলো। তবে শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, চার বছর ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বিরতির পর এটি ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনা। মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠককে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার মধ্যেই রাশিয়ার হামলা শান্তি আলোচনার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বৈঠক চলাকালীন সময়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, এসব হামলায় একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ, পানি ও তাপ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের কাঠামো, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বড় ধরনের কিছু বাধা এখনো রয়ে গেছে।
বৈঠকে ইউক্রেনের পক্ষে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ ও সামরিক গোয়েন্দা প্রধান কিরিলো বুদানভ। রাশিয়ার পক্ষে সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার বৈঠকে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন।
এর আগে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের দীর্ঘ আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় খারকিভ অঞ্চলের একটি গ্রাম দখলের দাবি করলেও ইউক্রেন তা অস্বীকার করেছে।

ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় শান্তি বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে দুই দিনব্যাপী এ আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পক্ষগুলো। তবে শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, চার বছর ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বিরতির পর এটি ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনা। মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠককে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার মধ্যেই রাশিয়ার হামলা শান্তি আলোচনার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বৈঠক চলাকালীন সময়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, এসব হামলায় একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ, পানি ও তাপ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের কাঠামো, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বড় ধরনের কিছু বাধা এখনো রয়ে গেছে।
বৈঠকে ইউক্রেনের পক্ষে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ ও সামরিক গোয়েন্দা প্রধান কিরিলো বুদানভ। রাশিয়ার পক্ষে সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার বৈঠকে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন।
এর আগে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের দীর্ঘ আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় খারকিভ অঞ্চলের একটি গ্রাম দখলের দাবি করলেও ইউক্রেন তা অস্বীকার করেছে।

ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় শান্তি বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে দুই দিনব্যাপী এ আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পক্ষগুলো। তবে শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, চার বছর ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বিরতির পর এটি ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনা। মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠককে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার মধ্যেই রাশিয়ার হামলা শান্তি আলোচনার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বৈঠক চলাকালীন সময়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, এসব হামলায় একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ, পানি ও তাপ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের কাঠামো, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বড় ধরনের কিছু বাধা এখনো রয়ে গেছে।
বৈঠকে ইউক্রেনের পক্ষে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ ও সামরিক গোয়েন্দা প্রধান কিরিলো বুদানভ। রাশিয়ার পক্ষে সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার বৈঠকে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন।
এর আগে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের দীর্ঘ আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় খারকিভ অঞ্চলের একটি গ্রাম দখলের দাবি করলেও ইউক্রেন তা অস্বীকার করেছে।

ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় শান্তি বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে দুই দিনব্যাপী এ আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পক্ষগুলো। তবে শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আবারও বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, চার বছর ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বিরতির পর এটি ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনা। মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠককে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার মধ্যেই রাশিয়ার হামলা শান্তি আলোচনার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বৈঠক চলাকালীন সময়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, এসব হামলায় একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ, পানি ও তাপ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আলোচনায় যুদ্ধ অবসানের কাঠামো, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বড় ধরনের কিছু বাধা এখনো রয়ে গেছে।
বৈঠকে ইউক্রেনের পক্ষে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ ও সামরিক গোয়েন্দা প্রধান কিরিলো বুদানভ। রাশিয়ার পক্ষে সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার বৈঠকে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন।
এর আগে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের দীর্ঘ আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় খারকিভ অঞ্চলের একটি গ্রাম দখলের দাবি করলেও ইউক্রেন তা অস্বীকার করেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!