
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম জেলা সফর।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। গ্রামবাসীসহ আশপাশের এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সফরের সময় তিনি বলরামপুর গ্রামের সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশের ৫৩টি জেলায় খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল খননের উদ্বোধন করবেন। নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং র্যাব সদস্যরা ডগ স্কোয়াড নিয়ে এলাকায় টহল দিচ্ছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে বাসে করে দুপুর ১২টার মধ্যে কাহারোলে পৌঁছাবেন। খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
এরপর সাহাপাড়ায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দিনাজপুর শহরের শেখ ফরিদপুর কবরস্থানে তার নানা এম ই মজুমদার, নানি বেগম তৈয়বা মজুমদার ও বড় খালা বেগম খুরশীদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেলে শহীদ বড় ময়দানের দক্ষিণ প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দলীয় ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর তিনি রাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় ফিরবেন।
দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দিনাজপুরের মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ অঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রায় ১২ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি চাষের আওতায় আসবে এবং প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম জেলা সফর।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। গ্রামবাসীসহ আশপাশের এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সফরের সময় তিনি বলরামপুর গ্রামের সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশের ৫৩টি জেলায় খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল খননের উদ্বোধন করবেন। নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং র্যাব সদস্যরা ডগ স্কোয়াড নিয়ে এলাকায় টহল দিচ্ছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে বাসে করে দুপুর ১২টার মধ্যে কাহারোলে পৌঁছাবেন। খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
এরপর সাহাপাড়ায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দিনাজপুর শহরের শেখ ফরিদপুর কবরস্থানে তার নানা এম ই মজুমদার, নানি বেগম তৈয়বা মজুমদার ও বড় খালা বেগম খুরশীদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেলে শহীদ বড় ময়দানের দক্ষিণ প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দলীয় ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর তিনি রাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় ফিরবেন।
দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দিনাজপুরের মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ অঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রায় ১২ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি চাষের আওতায় আসবে এবং প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম জেলা সফর।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। গ্রামবাসীসহ আশপাশের এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সফরের সময় তিনি বলরামপুর গ্রামের সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশের ৫৩টি জেলায় খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল খননের উদ্বোধন করবেন। নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং র্যাব সদস্যরা ডগ স্কোয়াড নিয়ে এলাকায় টহল দিচ্ছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে বাসে করে দুপুর ১২টার মধ্যে কাহারোলে পৌঁছাবেন। খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
এরপর সাহাপাড়ায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দিনাজপুর শহরের শেখ ফরিদপুর কবরস্থানে তার নানা এম ই মজুমদার, নানি বেগম তৈয়বা মজুমদার ও বড় খালা বেগম খুরশীদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেলে শহীদ বড় ময়দানের দক্ষিণ প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দলীয় ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর তিনি রাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় ফিরবেন।
দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দিনাজপুরের মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ অঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রায় ১২ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি চাষের আওতায় আসবে এবং প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুর সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম জেলা সফর।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। গ্রামবাসীসহ আশপাশের এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সফরের সময় তিনি বলরামপুর গ্রামের সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশের ৫৩টি জেলায় খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল খননের উদ্বোধন করবেন। নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং র্যাব সদস্যরা ডগ স্কোয়াড নিয়ে এলাকায় টহল দিচ্ছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে বাসে করে দুপুর ১২টার মধ্যে কাহারোলে পৌঁছাবেন। খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
এরপর সাহাপাড়ায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দিনাজপুর শহরের শেখ ফরিদপুর কবরস্থানে তার নানা এম ই মজুমদার, নানি বেগম তৈয়বা মজুমদার ও বড় খালা বেগম খুরশীদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করবেন।
বিকেলে শহীদ বড় ময়দানের দক্ষিণ প্রান্তে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দলীয় ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর তিনি রাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় ফিরবেন।
দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দিনাজপুরের মানুষ তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ অঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রায় ১২ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি চাষের আওতায় আসবে এবং প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!