
একদিন আগেও মাথার ওপর ছিল টিনের ছাউনি। ছোট ছোট ঘরগুলোতেই ছিল সংসার, জীবনের লড়াই আর বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু ভয়াবহ আগুনে সব হারিয়ে এখন কালশী ফ্লাইওভারের নিচেই আশ্রয় নিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধ বস্তির বহু মানুষ। পাশে পড়ে আছে বস্তাবন্দি সামান্য কিছু মালামাল, আর চোখে মুখে অনিশ্চয়তার ছাপ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর কালশী ফ্লাইওভারের নিচে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়েছে। কেউ মাটিতে বসে আছেন, কেউ আবার ভাঙা বস্তা ও পোড়া মালামাল পাহারা দিচ্ছেন। শিশুদের কেউ খালি গায়ে ঘুরছে, কেউ মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে। চারদিকে ক্লান্তি আর অসহায়ত্বের দৃশ্য।
সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নেওয়া বস্তিবাসীরা বলছেন, আগুন তাদের শুধু ঘরই পোড়ায়নি, কেড়ে নিয়েছে নিরাপত্তা আর বাঁচার শেষ ভরসাটুকুও। কেউ বলছেন সারারাত সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে কাটিয়েছেন, কেউ আবার জানেন না আগামীকাল কোথায় যাবেন। তাদের ভাষ্য, আগুনের পর কিছু খাবার মিললেও থাকার মতো নিরাপদ কোনো জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের।
সুনামগঞ্জের বাসিন্দা সাদিকুর রহমান ১০ বছর ধরে এই বস্তিতে থাকতেন। স্ত্রী ও ১৪ বছরের মেয়েকে নিয়ে একটি ঘরেই ছিল তার সংসার। সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়িতে চাকরি করে কোনো রকমে চলছিল জীবন। এখন সেই ঘর নেই, আশ্রয় হয়েছে ফ্লাইওভারের নিচে।
মাটিতে বসে তিনি বলেন, ‘একদিন আগেও একটা ঘর আছিল। ছোট হইলেও নিজের আছিল। আজকে পরিবার লইয়া রাস্তায়। মেয়েটারে নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারি নেই। পড়নের কাপড় ছাড়া আর কিছু নেই।’
তিনি বলেন, ‘সারারাত এইখানেই আছিলাম। কেউ খোঁজ নেয় নেই। এখন কোথায় যামু, কী করমু কিছু বুঝতেছি না।’
একই জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন রামিসা বেগম। বাসা-বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান তিনি। আগুনে তার ঘরের সবকিছু পুড়ে গেছে। পাশে রাখা কয়েকটি বস্তা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এইগুলা ছাড়া আর কিছু নেই। মানুষের বাসায় কাজ করি, যা পাই তা দিয়া সংসার চালাই। এখন থাকার জায়গা নেই। রাইতে এখানেই থাকছি।’
সরেজমিনে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের নিচে কেউ ইট জোগাড় করে চুলা বানানোর চেষ্টা করছেন। কেউ বাচ্চাদের নিয়ে বসে আছেন। আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করছেন আশ্রয়ের খোঁজে। অনেকের চোখে ঘুম নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা স্পষ্ট।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আগুনের পর তাৎক্ষণিক খাবার সহায়তা মিললেও এখনো স্থায়ী আশ্রয় কিংবা পুনর্বাসনের কোনো নিশ্চয়তা পাননি তারা। তাই একদিন আগেও যাদের মাথার ওপর ছিল একটি ছাদ, আজ তারা খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত জীবনের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।

একদিন আগেও মাথার ওপর ছিল টিনের ছাউনি। ছোট ছোট ঘরগুলোতেই ছিল সংসার, জীবনের লড়াই আর বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু ভয়াবহ আগুনে সব হারিয়ে এখন কালশী ফ্লাইওভারের নিচেই আশ্রয় নিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধ বস্তির বহু মানুষ। পাশে পড়ে আছে বস্তাবন্দি সামান্য কিছু মালামাল, আর চোখে মুখে অনিশ্চয়তার ছাপ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর কালশী ফ্লাইওভারের নিচে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়েছে। কেউ মাটিতে বসে আছেন, কেউ আবার ভাঙা বস্তা ও পোড়া মালামাল পাহারা দিচ্ছেন। শিশুদের কেউ খালি গায়ে ঘুরছে, কেউ মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে। চারদিকে ক্লান্তি আর অসহায়ত্বের দৃশ্য।
সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নেওয়া বস্তিবাসীরা বলছেন, আগুন তাদের শুধু ঘরই পোড়ায়নি, কেড়ে নিয়েছে নিরাপত্তা আর বাঁচার শেষ ভরসাটুকুও। কেউ বলছেন সারারাত সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে কাটিয়েছেন, কেউ আবার জানেন না আগামীকাল কোথায় যাবেন। তাদের ভাষ্য, আগুনের পর কিছু খাবার মিললেও থাকার মতো নিরাপদ কোনো জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের।
সুনামগঞ্জের বাসিন্দা সাদিকুর রহমান ১০ বছর ধরে এই বস্তিতে থাকতেন। স্ত্রী ও ১৪ বছরের মেয়েকে নিয়ে একটি ঘরেই ছিল তার সংসার। সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়িতে চাকরি করে কোনো রকমে চলছিল জীবন। এখন সেই ঘর নেই, আশ্রয় হয়েছে ফ্লাইওভারের নিচে।
মাটিতে বসে তিনি বলেন, ‘একদিন আগেও একটা ঘর আছিল। ছোট হইলেও নিজের আছিল। আজকে পরিবার লইয়া রাস্তায়। মেয়েটারে নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারি নেই। পড়নের কাপড় ছাড়া আর কিছু নেই।’
তিনি বলেন, ‘সারারাত এইখানেই আছিলাম। কেউ খোঁজ নেয় নেই। এখন কোথায় যামু, কী করমু কিছু বুঝতেছি না।’
একই জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন রামিসা বেগম। বাসা-বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান তিনি। আগুনে তার ঘরের সবকিছু পুড়ে গেছে। পাশে রাখা কয়েকটি বস্তা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এইগুলা ছাড়া আর কিছু নেই। মানুষের বাসায় কাজ করি, যা পাই তা দিয়া সংসার চালাই। এখন থাকার জায়গা নেই। রাইতে এখানেই থাকছি।’
সরেজমিনে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের নিচে কেউ ইট জোগাড় করে চুলা বানানোর চেষ্টা করছেন। কেউ বাচ্চাদের নিয়ে বসে আছেন। আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করছেন আশ্রয়ের খোঁজে। অনেকের চোখে ঘুম নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা স্পষ্ট।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আগুনের পর তাৎক্ষণিক খাবার সহায়তা মিললেও এখনো স্থায়ী আশ্রয় কিংবা পুনর্বাসনের কোনো নিশ্চয়তা পাননি তারা। তাই একদিন আগেও যাদের মাথার ওপর ছিল একটি ছাদ, আজ তারা খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত জীবনের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।

একদিন আগেও মাথার ওপর ছিল টিনের ছাউনি। ছোট ছোট ঘরগুলোতেই ছিল সংসার, জীবনের লড়াই আর বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু ভয়াবহ আগুনে সব হারিয়ে এখন কালশী ফ্লাইওভারের নিচেই আশ্রয় নিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধ বস্তির বহু মানুষ। পাশে পড়ে আছে বস্তাবন্দি সামান্য কিছু মালামাল, আর চোখে মুখে অনিশ্চয়তার ছাপ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর কালশী ফ্লাইওভারের নিচে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়েছে। কেউ মাটিতে বসে আছেন, কেউ আবার ভাঙা বস্তা ও পোড়া মালামাল পাহারা দিচ্ছেন। শিশুদের কেউ খালি গায়ে ঘুরছে, কেউ মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে। চারদিকে ক্লান্তি আর অসহায়ত্বের দৃশ্য।
সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নেওয়া বস্তিবাসীরা বলছেন, আগুন তাদের শুধু ঘরই পোড়ায়নি, কেড়ে নিয়েছে নিরাপত্তা আর বাঁচার শেষ ভরসাটুকুও। কেউ বলছেন সারারাত সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে কাটিয়েছেন, কেউ আবার জানেন না আগামীকাল কোথায় যাবেন। তাদের ভাষ্য, আগুনের পর কিছু খাবার মিললেও থাকার মতো নিরাপদ কোনো জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের।
সুনামগঞ্জের বাসিন্দা সাদিকুর রহমান ১০ বছর ধরে এই বস্তিতে থাকতেন। স্ত্রী ও ১৪ বছরের মেয়েকে নিয়ে একটি ঘরেই ছিল তার সংসার। সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়িতে চাকরি করে কোনো রকমে চলছিল জীবন। এখন সেই ঘর নেই, আশ্রয় হয়েছে ফ্লাইওভারের নিচে।
মাটিতে বসে তিনি বলেন, ‘একদিন আগেও একটা ঘর আছিল। ছোট হইলেও নিজের আছিল। আজকে পরিবার লইয়া রাস্তায়। মেয়েটারে নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারি নেই। পড়নের কাপড় ছাড়া আর কিছু নেই।’
তিনি বলেন, ‘সারারাত এইখানেই আছিলাম। কেউ খোঁজ নেয় নেই। এখন কোথায় যামু, কী করমু কিছু বুঝতেছি না।’
একই জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন রামিসা বেগম। বাসা-বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান তিনি। আগুনে তার ঘরের সবকিছু পুড়ে গেছে। পাশে রাখা কয়েকটি বস্তা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এইগুলা ছাড়া আর কিছু নেই। মানুষের বাসায় কাজ করি, যা পাই তা দিয়া সংসার চালাই। এখন থাকার জায়গা নেই। রাইতে এখানেই থাকছি।’
সরেজমিনে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের নিচে কেউ ইট জোগাড় করে চুলা বানানোর চেষ্টা করছেন। কেউ বাচ্চাদের নিয়ে বসে আছেন। আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করছেন আশ্রয়ের খোঁজে। অনেকের চোখে ঘুম নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা স্পষ্ট।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আগুনের পর তাৎক্ষণিক খাবার সহায়তা মিললেও এখনো স্থায়ী আশ্রয় কিংবা পুনর্বাসনের কোনো নিশ্চয়তা পাননি তারা। তাই একদিন আগেও যাদের মাথার ওপর ছিল একটি ছাদ, আজ তারা খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত জীবনের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।

একদিন আগেও মাথার ওপর ছিল টিনের ছাউনি। ছোট ছোট ঘরগুলোতেই ছিল সংসার, জীবনের লড়াই আর বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু ভয়াবহ আগুনে সব হারিয়ে এখন কালশী ফ্লাইওভারের নিচেই আশ্রয় নিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধ বস্তির বহু মানুষ। পাশে পড়ে আছে বস্তাবন্দি সামান্য কিছু মালামাল, আর চোখে মুখে অনিশ্চয়তার ছাপ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর কালশী ফ্লাইওভারের নিচে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়েছে। কেউ মাটিতে বসে আছেন, কেউ আবার ভাঙা বস্তা ও পোড়া মালামাল পাহারা দিচ্ছেন। শিশুদের কেউ খালি গায়ে ঘুরছে, কেউ মায়ের কোলে ঘুমাচ্ছে। চারদিকে ক্লান্তি আর অসহায়ত্বের দৃশ্য।
সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নেওয়া বস্তিবাসীরা বলছেন, আগুন তাদের শুধু ঘরই পোড়ায়নি, কেড়ে নিয়েছে নিরাপত্তা আর বাঁচার শেষ ভরসাটুকুও। কেউ বলছেন সারারাত সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে কাটিয়েছেন, কেউ আবার জানেন না আগামীকাল কোথায় যাবেন। তাদের ভাষ্য, আগুনের পর কিছু খাবার মিললেও থাকার মতো নিরাপদ কোনো জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের।
সুনামগঞ্জের বাসিন্দা সাদিকুর রহমান ১০ বছর ধরে এই বস্তিতে থাকতেন। স্ত্রী ও ১৪ বছরের মেয়েকে নিয়ে একটি ঘরেই ছিল তার সংসার। সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়িতে চাকরি করে কোনো রকমে চলছিল জীবন। এখন সেই ঘর নেই, আশ্রয় হয়েছে ফ্লাইওভারের নিচে।
মাটিতে বসে তিনি বলেন, ‘একদিন আগেও একটা ঘর আছিল। ছোট হইলেও নিজের আছিল। আজকে পরিবার লইয়া রাস্তায়। মেয়েটারে নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারি নেই। পড়নের কাপড় ছাড়া আর কিছু নেই।’
তিনি বলেন, ‘সারারাত এইখানেই আছিলাম। কেউ খোঁজ নেয় নেই। এখন কোথায় যামু, কী করমু কিছু বুঝতেছি না।’
একই জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন রামিসা বেগম। বাসা-বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান তিনি। আগুনে তার ঘরের সবকিছু পুড়ে গেছে। পাশে রাখা কয়েকটি বস্তা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এইগুলা ছাড়া আর কিছু নেই। মানুষের বাসায় কাজ করি, যা পাই তা দিয়া সংসার চালাই। এখন থাকার জায়গা নেই। রাইতে এখানেই থাকছি।’
সরেজমিনে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের নিচে কেউ ইট জোগাড় করে চুলা বানানোর চেষ্টা করছেন। কেউ বাচ্চাদের নিয়ে বসে আছেন। আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করছেন আশ্রয়ের খোঁজে। অনেকের চোখে ঘুম নেই, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা স্পষ্ট।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আগুনের পর তাৎক্ষণিক খাবার সহায়তা মিললেও এখনো স্থায়ী আশ্রয় কিংবা পুনর্বাসনের কোনো নিশ্চয়তা পাননি তারা। তাই একদিন আগেও যাদের মাথার ওপর ছিল একটি ছাদ, আজ তারা খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত জীবনের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!