
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে ব্যাপক কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, এসএসডি (SSD) আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমবে, ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে আইটি খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে ব্যাপক কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, এসএসডি (SSD) আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমবে, ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে আইটি খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে ব্যাপক কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, এসএসডি (SSD) আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমবে, ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে আইটি খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে ব্যাপক কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, এসএসডি (SSD) আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমবে, ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে আইটি খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!