কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর দখলমুক্ত জায়গাগুলো যেন পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদ হওয়া স্থান পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, এর আগে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের অভিযানে সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট দখলমুক্ত করা হয়।
পরিদর্শনের সময় উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবি জানান। তবে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় বালিয়াড়িকে সম্পূর্ণ স্থাপনামুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে সরকার অটল রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর দখলমুক্ত জায়গাগুলো যেন পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদ হওয়া স্থান পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, এর আগে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের অভিযানে সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট দখলমুক্ত করা হয়।
পরিদর্শনের সময় উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবি জানান। তবে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় বালিয়াড়িকে সম্পূর্ণ স্থাপনামুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে সরকার অটল রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর দখলমুক্ত জায়গাগুলো যেন পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদ হওয়া স্থান পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, এর আগে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের অভিযানে সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট দখলমুক্ত করা হয়।
পরিদর্শনের সময় উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবি জানান। তবে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় বালিয়াড়িকে সম্পূর্ণ স্থাপনামুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে সরকার অটল রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর দখলমুক্ত জায়গাগুলো যেন পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদ হওয়া স্থান পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, এর আগে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের অভিযানে সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট দখলমুক্ত করা হয়।
পরিদর্শনের সময় উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুনর্বাসনের দাবি জানান। তবে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় বালিয়াড়িকে সম্পূর্ণ স্থাপনামুক্ত রাখার সিদ্ধান্তে সরকার অটল রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!