টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মুকুট ধরে রেখেছে ফরাসি জায়ান্টরা। অন্যদিকে ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হলো আর্সেনালের।
শনিবার (৩০ মে) হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের পুস্কাস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপ সামলে শেষ হাসি হাসে পিএসজি।
গত মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পাওয়া পিএসজির জন্য এবার শিরোপা ধরে রাখার পথ মোটেও সহজ ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ইতিহাস গড়ে। ১৯৯২ সালে প্রতিযোগিতাটির নাম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হওয়ার পর রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের দাপটে। প্রথমার্ধে পিএসজির অধিনায়ক মারকিনিওসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে এগিয়ে যান কাই হাভার্টজ। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জার্মান এই ফরোয়ার্ড।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে পিএসজি। প্রায় এক ঘণ্টা আর্সেনালের রক্ষণভাগকে ভাঙতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরায় তারা। ডি-বক্সে খভিচা কাভারাতসখেলিয়াকে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানেও ফল নির্ধারিত না হওয়ায় শিরোপা নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হলো।
টাইব্রেকারে পিএসজির হয়ে গোল করেন গনসালো রামোস, আশরাফ হাকিমি ও সতীর্থরা। আর্সেনালের হয়ে গোল করেন ভিক্টর ইয়োকেরেস, ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর্সেনালের দুটি শট ব্যর্থ হলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জয়ের অপেক্ষার অবসান ঘটালেও ইউরোপ সেরার মুকুট এখনো অধরাই রয়ে গেল কোচ মিকেল আর্তেতার শিষ্যদের জন্য। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করলো পিএসজি।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মুকুট ধরে রেখেছে ফরাসি জায়ান্টরা। অন্যদিকে ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হলো আর্সেনালের।
শনিবার (৩০ মে) হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের পুস্কাস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপ সামলে শেষ হাসি হাসে পিএসজি।
গত মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পাওয়া পিএসজির জন্য এবার শিরোপা ধরে রাখার পথ মোটেও সহজ ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ইতিহাস গড়ে। ১৯৯২ সালে প্রতিযোগিতাটির নাম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হওয়ার পর রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের দাপটে। প্রথমার্ধে পিএসজির অধিনায়ক মারকিনিওসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে এগিয়ে যান কাই হাভার্টজ। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জার্মান এই ফরোয়ার্ড।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে পিএসজি। প্রায় এক ঘণ্টা আর্সেনালের রক্ষণভাগকে ভাঙতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরায় তারা। ডি-বক্সে খভিচা কাভারাতসখেলিয়াকে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানেও ফল নির্ধারিত না হওয়ায় শিরোপা নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হলো।
টাইব্রেকারে পিএসজির হয়ে গোল করেন গনসালো রামোস, আশরাফ হাকিমি ও সতীর্থরা। আর্সেনালের হয়ে গোল করেন ভিক্টর ইয়োকেরেস, ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর্সেনালের দুটি শট ব্যর্থ হলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জয়ের অপেক্ষার অবসান ঘটালেও ইউরোপ সেরার মুকুট এখনো অধরাই রয়ে গেল কোচ মিকেল আর্তেতার শিষ্যদের জন্য। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করলো পিএসজি।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মুকুট ধরে রেখেছে ফরাসি জায়ান্টরা। অন্যদিকে ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হলো আর্সেনালের।
শনিবার (৩০ মে) হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের পুস্কাস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপ সামলে শেষ হাসি হাসে পিএসজি।
গত মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পাওয়া পিএসজির জন্য এবার শিরোপা ধরে রাখার পথ মোটেও সহজ ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ইতিহাস গড়ে। ১৯৯২ সালে প্রতিযোগিতাটির নাম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হওয়ার পর রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের দাপটে। প্রথমার্ধে পিএসজির অধিনায়ক মারকিনিওসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে এগিয়ে যান কাই হাভার্টজ। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জার্মান এই ফরোয়ার্ড।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে পিএসজি। প্রায় এক ঘণ্টা আর্সেনালের রক্ষণভাগকে ভাঙতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরায় তারা। ডি-বক্সে খভিচা কাভারাতসখেলিয়াকে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানেও ফল নির্ধারিত না হওয়ায় শিরোপা নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হলো।
টাইব্রেকারে পিএসজির হয়ে গোল করেন গনসালো রামোস, আশরাফ হাকিমি ও সতীর্থরা। আর্সেনালের হয়ে গোল করেন ভিক্টর ইয়োকেরেস, ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর্সেনালের দুটি শট ব্যর্থ হলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জয়ের অপেক্ষার অবসান ঘটালেও ইউরোপ সেরার মুকুট এখনো অধরাই রয়ে গেল কোচ মিকেল আর্তেতার শিষ্যদের জন্য। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করলো পিএসজি।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ইউরোপ সেরার মুকুট ধরে রেখেছে ফরাসি জায়ান্টরা। অন্যদিকে ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হলো আর্সেনালের।
শনিবার (৩০ মে) হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের পুস্কাস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপ সামলে শেষ হাসি হাসে পিএসজি।
গত মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পাওয়া পিএসজির জন্য এবার শিরোপা ধরে রাখার পথ মোটেও সহজ ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ইতিহাস গড়ে। ১৯৯২ সালে প্রতিযোগিতাটির নাম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হওয়ার পর রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল আর্সেনালের দাপটে। প্রথমার্ধে পিএসজির অধিনায়ক মারকিনিওসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে এগিয়ে যান কাই হাভার্টজ। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জার্মান এই ফরোয়ার্ড।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে পিএসজি। প্রায় এক ঘণ্টা আর্সেনালের রক্ষণভাগকে ভাঙতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরায় তারা। ডি-বক্সে খভিচা কাভারাতসখেলিয়াকে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানেও ফল নির্ধারিত না হওয়ায় শিরোপা নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হলো।
টাইব্রেকারে পিএসজির হয়ে গোল করেন গনসালো রামোস, আশরাফ হাকিমি ও সতীর্থরা। আর্সেনালের হয়ে গোল করেন ভিক্টর ইয়োকেরেস, ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর্সেনালের দুটি শট ব্যর্থ হলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জয়ের অপেক্ষার অবসান ঘটালেও ইউরোপ সেরার মুকুট এখনো অধরাই রয়ে গেল কোচ মিকেল আর্তেতার শিষ্যদের জন্য। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করলো পিএসজি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!