আকাশে যত তারা, আইনে তত ধারা-এই মন্তব্য করে দেশের সাংবাদিক দমনে রাষ্ট্র যেভাবে বিভিন্ন আইন প্রয়োগ করে থাকে, তা তুলে ধরলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর এক সেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ: ভবিষ্যত বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্য দেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) নয়, রাষ্ট্রের আরও বহু আইনি পথ উন্মুক্ত আছে। ‘আপনারা মনে করেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আমি যেটা দেখছি, শুধু এটিই নয়-রাষ্ট্রের হাতে আরও বহু আইন আছে যা প্রয়োগ করে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যায়, বলেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের হাতে যখন অন্য কোনো আইনি ভিত্তি থাকে না, তখন সেডিশন বা রাষ্ট্রদ্রোহের ধারাও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আইন বদলালেই সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগকারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন না এলে শুধু আইন বাতিল করেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।’
আইনের দীর্ঘ ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক আইন কিন্তু নতুন নয়। ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের মানহানি আইন থেকে শুরু করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই সাংবাদিক দমনে ব্যবহৃত হয়েছে। তিনি জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন ব্যবহার করে সাংবাদিক গ্রেফতারের প্রথম ঘটনা ঘটে ১৯৭৫ সালে।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি এমন মামলাও পরিচালনা করেছি যেখানে ১৭ বছরের একটি মেয়ে দুই বছর কারাগারে ছিল। হাইকোর্টে জামিন চেয়েও মেলেনি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, সমস্যা শুধু আইনের নয়-ব্যবস্থার মানসিকতার।’
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে যেমন সোচ্চার হন, তেমন নাগরিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নেও কণ্ঠ তুলুন।’
এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের ওপর নির্ভর করবে জানিয়ে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক সব আইনের পথ থেকে রাষ্ট্রকে ফিরে আসতে হবে। তিন পক্ষ-সাংবাদিক, নাগরিক ও রাষ্ট্র-এর মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
‘আমি চাই, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা বাস্তবে কার্যকর হোক,’ বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও যোগ করেন, ‘একটি ভয়হীন সমাজ চাই-যেখানে সত্য বলা যাবে, যত কঠিনই হোক। নাগরিক অধিকারের প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত।’
আকাশে যত তারা, আইনে তত ধারা-এই মন্তব্য করে দেশের সাংবাদিক দমনে রাষ্ট্র যেভাবে বিভিন্ন আইন প্রয়োগ করে থাকে, তা তুলে ধরলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর এক সেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ: ভবিষ্যত বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্য দেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) নয়, রাষ্ট্রের আরও বহু আইনি পথ উন্মুক্ত আছে। ‘আপনারা মনে করেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আমি যেটা দেখছি, শুধু এটিই নয়-রাষ্ট্রের হাতে আরও বহু আইন আছে যা প্রয়োগ করে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যায়, বলেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের হাতে যখন অন্য কোনো আইনি ভিত্তি থাকে না, তখন সেডিশন বা রাষ্ট্রদ্রোহের ধারাও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আইন বদলালেই সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগকারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন না এলে শুধু আইন বাতিল করেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।’
আইনের দীর্ঘ ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক আইন কিন্তু নতুন নয়। ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের মানহানি আইন থেকে শুরু করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই সাংবাদিক দমনে ব্যবহৃত হয়েছে। তিনি জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন ব্যবহার করে সাংবাদিক গ্রেফতারের প্রথম ঘটনা ঘটে ১৯৭৫ সালে।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি এমন মামলাও পরিচালনা করেছি যেখানে ১৭ বছরের একটি মেয়ে দুই বছর কারাগারে ছিল। হাইকোর্টে জামিন চেয়েও মেলেনি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, সমস্যা শুধু আইনের নয়-ব্যবস্থার মানসিকতার।’
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে যেমন সোচ্চার হন, তেমন নাগরিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নেও কণ্ঠ তুলুন।’
এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের ওপর নির্ভর করবে জানিয়ে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক সব আইনের পথ থেকে রাষ্ট্রকে ফিরে আসতে হবে। তিন পক্ষ-সাংবাদিক, নাগরিক ও রাষ্ট্র-এর মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
‘আমি চাই, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা বাস্তবে কার্যকর হোক,’ বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও যোগ করেন, ‘একটি ভয়হীন সমাজ চাই-যেখানে সত্য বলা যাবে, যত কঠিনই হোক। নাগরিক অধিকারের প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত।’
আকাশে যত তারা, আইনে তত ধারা-এই মন্তব্য করে দেশের সাংবাদিক দমনে রাষ্ট্র যেভাবে বিভিন্ন আইন প্রয়োগ করে থাকে, তা তুলে ধরলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর এক সেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ: ভবিষ্যত বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্য দেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) নয়, রাষ্ট্রের আরও বহু আইনি পথ উন্মুক্ত আছে। ‘আপনারা মনে করেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আমি যেটা দেখছি, শুধু এটিই নয়-রাষ্ট্রের হাতে আরও বহু আইন আছে যা প্রয়োগ করে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যায়, বলেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের হাতে যখন অন্য কোনো আইনি ভিত্তি থাকে না, তখন সেডিশন বা রাষ্ট্রদ্রোহের ধারাও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আইন বদলালেই সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগকারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন না এলে শুধু আইন বাতিল করেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।’
আইনের দীর্ঘ ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক আইন কিন্তু নতুন নয়। ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের মানহানি আইন থেকে শুরু করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই সাংবাদিক দমনে ব্যবহৃত হয়েছে। তিনি জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন ব্যবহার করে সাংবাদিক গ্রেফতারের প্রথম ঘটনা ঘটে ১৯৭৫ সালে।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি এমন মামলাও পরিচালনা করেছি যেখানে ১৭ বছরের একটি মেয়ে দুই বছর কারাগারে ছিল। হাইকোর্টে জামিন চেয়েও মেলেনি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, সমস্যা শুধু আইনের নয়-ব্যবস্থার মানসিকতার।’
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে যেমন সোচ্চার হন, তেমন নাগরিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নেও কণ্ঠ তুলুন।’
এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের ওপর নির্ভর করবে জানিয়ে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক সব আইনের পথ থেকে রাষ্ট্রকে ফিরে আসতে হবে। তিন পক্ষ-সাংবাদিক, নাগরিক ও রাষ্ট্র-এর মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
‘আমি চাই, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা বাস্তবে কার্যকর হোক,’ বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও যোগ করেন, ‘একটি ভয়হীন সমাজ চাই-যেখানে সত্য বলা যাবে, যত কঠিনই হোক। নাগরিক অধিকারের প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত।’
আকাশে যত তারা, আইনে তত ধারা-এই মন্তব্য করে দেশের সাংবাদিক দমনে রাষ্ট্র যেভাবে বিভিন্ন আইন প্রয়োগ করে থাকে, তা তুলে ধরলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর এক সেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ: ভবিষ্যত বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্য দেন তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) নয়, রাষ্ট্রের আরও বহু আইনি পথ উন্মুক্ত আছে। ‘আপনারা মনে করেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আমি যেটা দেখছি, শুধু এটিই নয়-রাষ্ট্রের হাতে আরও বহু আইন আছে যা প্রয়োগ করে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যায়, বলেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের হাতে যখন অন্য কোনো আইনি ভিত্তি থাকে না, তখন সেডিশন বা রাষ্ট্রদ্রোহের ধারাও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আইন বদলালেই সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগকারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন না এলে শুধু আইন বাতিল করেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।’
আইনের দীর্ঘ ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক আইন কিন্তু নতুন নয়। ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের মানহানি আইন থেকে শুরু করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই সাংবাদিক দমনে ব্যবহৃত হয়েছে। তিনি জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন ব্যবহার করে সাংবাদিক গ্রেফতারের প্রথম ঘটনা ঘটে ১৯৭৫ সালে।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি এমন মামলাও পরিচালনা করেছি যেখানে ১৭ বছরের একটি মেয়ে দুই বছর কারাগারে ছিল। হাইকোর্টে জামিন চেয়েও মেলেনি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, সমস্যা শুধু আইনের নয়-ব্যবস্থার মানসিকতার।’
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে যেমন সোচ্চার হন, তেমন নাগরিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নেও কণ্ঠ তুলুন।’
এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) ও সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের ওপর নির্ভর করবে জানিয়ে তিনি বলেন, নিবর্তনমূলক সব আইনের পথ থেকে রাষ্ট্রকে ফিরে আসতে হবে। তিন পক্ষ-সাংবাদিক, নাগরিক ও রাষ্ট্র-এর মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।
‘আমি চাই, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা বাস্তবে কার্যকর হোক,’ বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও যোগ করেন, ‘একটি ভয়হীন সমাজ চাই-যেখানে সত্য বলা যাবে, যত কঠিনই হোক। নাগরিক অধিকারের প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!